শিরোনাম
মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ‘বিপজ্জনক বার্তা’: টিআইবি টেকনাফে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক সাভারের আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, দফায় দফায় সংঘর্ষ, পুলিশের টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ গাজীপুরে শ্রমিকদের মহাসড়কে সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে বিক্ষোভ: তিন মামলায় আসামি ৪ হাজার, গ্রেপ্তার-৩০ জেলহত্যা দিবস আজ মাত্র ৯ মাসে ৭১৯ টাকা বেড়েছে ১২ কেজি এলপিজির দাম এলজিইডির সব কর্মকর্তাকে অফিসিয়াল সিম ও হোয়াটসঅ্যাপ সচল রাখার নির্দেশ এবার বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর ঢাকার আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও সোবহানবাগে ককটেল বিস্ফোরণ ১২ কেজি এলপিজির দাম ফের বাড়ল ২২৩ টাকা টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে সিমেন্ট ও ইয়াবাসহ আটক-১২ মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ‘বিপজ্জনক বার্তা’: টিআইবি টেকনাফে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক সাভারের আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, দফায় দফায় সংঘর্ষ, পুলিশের টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ গাজীপুরে শ্রমিকদের মহাসড়কে সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে বিক্ষোভ: তিন মামলায় আসামি ৪ হাজার, গ্রেপ্তার-৩০ জেলহত্যা দিবস আজ মাত্র ৯ মাসে ৭১৯ টাকা বেড়েছে ১২ কেজি এলপিজির দাম এলজিইডির সব কর্মকর্তাকে অফিসিয়াল সিম ও হোয়াটসঅ্যাপ সচল রাখার নির্দেশ এবার বাড়লো যানবাহনে ব্যবহৃত গ্যাসের দামও, রাত ৮টা থেকে কার্যকর ঢাকার আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন ও সোবহানবাগে ককটেল বিস্ফোরণ ১২ কেজি এলপিজির দাম ফের বাড়ল ২২৩ টাকা টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে সিমেন্ট ও ইয়াবাসহ আটক-১২

ইতিহাসের অন্যতম বেদনাবিধুর ও কালিমালিপ্ত দিন

জেলহত্যা দিবস আজ

অনলাইন ডিজিটাল ডেস্ক।।

 

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। জাতির ইতিহাসের অন্যতম বেদনাবিধুর ও কালিমালিপ্ত দিন। স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে বন্দি অবস্থায় নিহত হন মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী চার জাতীয় নেতা—বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

এই নির্মম ঘটনার ঠিক আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার পর তার ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ষড়যন্ত্র, পাল্টাপাল্টি ক্ষমতা দখলের ধারাবাহিকতায় রাতের আঁধারে কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে। এ ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে করা মামলায় আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৮ জন এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন। সাজাপ্রাপ্ত এই ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই ধরাছোঁয়ার বাইরে। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সংক্ষিপ্ত রায়ে ২০০৮ সালের হাইকোর্টের রায় বাতিল এবং ২০০৪ সালের নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখা হয়। মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা কে এম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেওয়া হয়।

একাত্তরে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বঙ্গবন্ধুর অন্য ঘনিষ্ঠ সহযোগী এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

Divider Icon
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...