বিনোদন প্রতিবেদক।।
নতুন গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে আসছেন কণ্ঠশিল্পী প্রেরণা প্রীতি। তাঁর সঙ্গে গানটির কথা লিখেছেন রাহুল কর্মকার। গানটির সুরও করেছেন রাহুল কর্মকার। সংগীত প্রযোজনা ও আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছেন তাসনুভ এন রহমান।
গানটির বিশেষ আকর্ষণ র্যাপ অংশ। এর কথা লিখেছেন ও কণ্ঠ দিয়েছেন সিফাত শাহ। কিবোর্ডে রয়েছেন শামীম বুলেট ও রাহুল কর্মকার এবং তবলায় এডি ছোটন। কোরাসে কণ্ঠ দিয়েছেন রিয়া খান, নীলা আহমেদ, তানভীর আহমেদ নিলয় ও হিমি। মূল কণ্ঠের সঙ্গে র্যাপ, কোরাস ও বাদ্যযন্ত্রের এই সমন্বয় গানটির সংগীতায়োজনে ভিন্ন আবহ তৈরি করেছে।
ঢাকার মিউজিক ফ্যাক্টরি স্টুডিওতে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। রেকর্ডিস্ট হিসেবে কাজ করেছেন তানভীর আহমেদ নিলয়। রেকর্ডিংয়ের পর সাউন্ড ডিজাইন, মিক্স ও মাস্টারিং করেছেন তাসনুভ এন রহমান। ফলে রেকর্ডিং থেকে চূড়ান্ত শব্দ সংযোজন—পুরো প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট টিম কাজ করেছে।
প্রেরণা প্রীতির জন্য গানটি আরও একটি নতুন সংগীত প্রয়াস। গীতিকার হিসেবে তাঁর নিজের অংশগ্রহণের পাশাপাশি রাহুল কর্মকারের সুর এবং তাসনুভ এন রহমানের সংগীতায়োজন গানটির ভিত্তি তৈরি করেছে। এর সঙ্গে সিফাত শাহর র্যাপ এবং চার শিল্পীর কোরাস যুক্ত হওয়ায় পরিবেশনায় এসেছে বৈচিত্র্য।
গানটি প্রকাশ ও প্রচারের জন্য ব্যবহার করা হবে শিল্পী প্রেরণা প্রীতির ‘Prerona Prity’ চ্যানেল। নতুন এই গানকে ঘিরে ইতোমধ্যে শ্রোতাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মূল গানের সঙ্গে র্যাপ ও কোরাসের সংযোজন গানটির প্রতি বাড়তি কৌতূহল তৈরি করছে।
নতুন এই কাজের মধ্য দিয়ে সংগীতাঙ্গনে নিজের পথচলায় আরও একটি অধ্যায় যুক্ত করছেন প্রেরণা প্রীতি। তাঁর কণ্ঠের সঙ্গে রাহুল কর্মকারের সুর, তাসনুভ এন রহমানের সংগীতায়োজন এবং সিফাত শাহর র্যাপ—সব মিলিয়ে গানটি হয়ে উঠেছে একাধিক শিল্পীর সম্মিলিত প্রয়াস।
কন্ঠশিল্পী প্রেরণা প্রীতি বলেন “গানটি নিয়ে আমি বেশ আশাবাদী। শুরু থেকেই চেষ্টা করেছি, যেন কথার সঙ্গে সুর ও সংগীতায়োজনের সুন্দর একটা সমন্বয় থাকে। রাহুল কর্মকারের সঙ্গে কথা ও সুরের কাজটি করতে খুব ভালো লেগেছে। তাসনুভ এন রহমানের চমৎকার সংগীতায়োজন এবং সিফাত শাহর র্যাপ গানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। কোরাস শিল্পীরাও খুব সুন্দরভাবে তাঁদের অংশটি করেছেন। সব মিলিয়ে গানটি আমাদের সবার সম্মিলিত একটি ভালোবাসার কাজ। শ্রোতারা গানটি শুনে নিজেদের মতো করে অনুভব করবেন—এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। তাঁদের ভালোবাসা ও মতামতই আমাকে সামনে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহ দেবে।”