ছবি; সংগৃহীত
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৭ সেপ্টেম্বরের স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যারা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আগে আবেদন করেনি অথবা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া, যেসব শিক্ষার্থী চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও কোনো কারণে নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও এ সুযোগ পাবে।
ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরও যারা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে।
দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে হলে শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে দেওয়া পূর্ণাঙ্গ নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে বিদ্যমান আসন সংখ্যা দেখে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে বলা হয়েছে।
দ্বিতীয় ধাপে অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ২৭ সেপ্টেম্বর (রোববার)। আবেদন করা যাবে ২৮ সেপ্টেম্বর (সোমবার) রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর থেকে ৩ অক্টোবর (শনিবার) রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে পারবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে তার নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর (রোববার) রাত ৮টায়। দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি কার্যক্রম চলবে ৫ অক্টোবর (সোমবার) থেকে ৭ অক্টোবর (বুধবার) পর্যন্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও যারা কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের ক্ষেত্রে তাদের অনলাইন আবেদন ফি ২২০ টাকা দিতে হবে না। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ সিলেকশন অথবা এডিট সম্পন্ন করতে হবে।
এ ছাড়া, দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় কোটার যোগ্যতা যাচাই করে সঠিকভাবে কোটা নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়েছে।