তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি;
মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে কাঁটা জখমের চিকিৎসায় সেলাই দেওয়ার পর থেকে ক্ষতস্থানে পচন ধরার অভিযোগ উঠেছে। পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রোগীর ক্ষতস্থান থেকে বাঁশের দুটি টুকরো বের করা হয়।
ভুক্তভোগী অঞ্জনা দত্ত (৪০) মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের মাতারকাপন এলাকার বাসিন্দা। গত ১১ই সেপ্টেম্বর রক্তাক্ত কাঁটা জখম নিয়ে তিনি সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ক্ষতস্থানে সেলাইয়ের পর ১৪ই সেপ্টেম্বর তাকে চিকিৎসা দিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয় এবং ডাক্তারের পরামর্শে ড্রেসিং করার জন্য বলা হয়। বিপত্তি বাধে তখনি বাড়িতে যাওয়ার পর অবস্থার অবনতি ঘটে এবং ক্ষতস্থানে পচন ধরে।
তীব্র ব্যথা নিয়ে পরবর্তীতে তাকে শহরের এ্যাপোলো স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪শে সেপ্টেম্বর) অধ্যাপক ডা. এস. এম. গোলাম রহমান (অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, সার্জারি, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) তত্ত্বাবধানে ঐ নারীর অস্ত্রোপচার করা হয়। এ সময় তার ক্ষতস্থান থেকে বাঁশের দুটি টুকরো বের করা হয়।
চিকিৎসার সময় ক্ষতস্থানের ভেতরে বাঁশের অংশ থাকা সত্ত্বেও তা পরিষ্কার না করে কীভাবে সেলাই করা হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। এটি চিকিৎসায় অবহেলা কি না, তা খতিয়ে দেখতে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেও কোন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।