শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জে দুই বাসে অগ্নি সংযোগ: ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০জনের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেত্রকোনায় এক মাদ্রাসায় নারীর সঙ্গে শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস এবার লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার শ্রীমঙ্গলে যাত্রীবাহী বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী মামলায় ভূঁইগড় সোনালী সংসদের সভাপতিসহ গ্রেপ্তার-২ নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদল নেতা ফয়সাল চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কিলোমিটার প্রতি ২০ পয়সা বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’: ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত সাক্ষী নারায়ণগঞ্জে দুই বাসে অগ্নি সংযোগ: ৩৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০জনের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘের ভাষণে ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেত্রকোনায় এক মাদ্রাসায় নারীর সঙ্গে শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস এবার লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার শ্রীমঙ্গলে যাত্রীবাহী বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী মামলায় ভূঁইগড় সোনালী সংসদের সভাপতিসহ গ্রেপ্তার-২ নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদল নেতা ফয়সাল চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কিলোমিটার প্রতি ২০ পয়সা বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব শহীদ মিনারে গিয়ে দেখি শামীম ওসমান বলছে, ‘মার মার’: ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত সাক্ষী

নেত্রকোনায় এক মাদ্রাসায় নারীর সঙ্গে শিক্ষকের আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস

 

সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়া আপত্তিকর মুহূর্ত, ইনসেটে মো. এহসানুল হক। ছবি : কালবেলা

অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।

 

নেত্রকোনার এন.আকন্দ কামিল মাদ্রাসার প্রভাষকের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি মাদ্রাসার সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টির পর অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মো. এহেসানুল হক মাদ্রাসাটির অনার্স বিভাগের আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ের প্রভাষক। তার পদটি নন-এমপিওভুক্ত। তিনি বিবাহিত এবং তিন সন্তানের জনক বলে জানা গেছে। তার বাড়ি জেলার দুর্গাপুরে উপজেলায়।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন জানান, গত ২০ আগস্ট মাদ্রাসার শিক্ষকদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা চলছিল। এ সময় কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে দেখতে পান, একটি কক্ষে এক শিক্ষক ও বোরকা পরিহিত এক নারী অবস্থান করছেন।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে তারা তা পর্যবেক্ষণ করেন। পরে কয়েকজন শিক্ষক অভিযুক্ত এহসানুল হককে ডেকে ওই ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

অধ্যক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজের বিষয়টি সামনে আনা হলে একপর্যায়ে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে সহকর্মীদের কাছে ক্ষমা চান।

অধ্যক্ষ আরও বলেন, ঘটনার কয়েক দিন পর গত ২৬ আগস্ট তিনি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে ডাউনলোড করা ভিডিওটি দেখতে পান। বিষয়টি দেখে তিনি মাদ্রাসার অনার্স বিভাগের চেয়ারম্যানকে ডেকে আনেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রতিষ্ঠানে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। একই দিন তার ব্যবহৃত কক্ষের তালা পরিবর্তন করা হয় এবং তাকে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

এরপর কঠোর পদক্ষেপের মুখে গত ১ সেপ্টেম্বর মো. এহসানুল হক পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে শিক্ষকমণ্ডলীর জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় এবং তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অধ্যক্ষ আরও জানান, বিষয়টি মাদ্রাসার গভর্নিং বডি এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা-আইসিটি) বরাবর লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত প্রভাষক মো. এহসানুল হকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, ‘আমরা সন্তানদের মানুষ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেই। আর শিক্ষকরাই যদি এমন আচরণ করে তাহলে কি শিখবে সন্তানরা। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানাই। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের যারা এই ঘটনাকে ধামাচাপা দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থার দাবি করছি।’

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, ‘এই ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। এমন কিছু পেলে তদন্ত করে আইনানুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুনমুন জাহান লিজা বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে বরখাস্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি বিষয়টি তারা ভাল বলতে পারবেন।’

Divider Icon
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...