শিরোনাম
নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা গাজীপুরে ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি, সেই যুগ্ম জেলা জজ বরখাস্ত টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় টেকনাফে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি প্রথম দিনই ড্রোন হামলায় নিহত ১৭ বাংলাদেশি: এসআরবি ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় সেই যুবক আটক, দাড়িয়ে থাকা পুলিশ প্রত্যাহার সাবেক মেয়র আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার-৩ সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যার আসামি সাব্বির গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জের যানজট নিরসনে রাজপথে এসপি, ঘুরিয়ে দিলেন উল্টো পথে আসা যানবাহন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএমসহ সব লেনদেন দুই দিন বন্ধ থাকবে নেত্রকোণায় সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা গাজীপুরে ভুয়া মামলা দিয়ে হয়রানি, সেই যুগ্ম জেলা জজ বরখাস্ত টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় টেকনাফে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি প্রথম দিনই ড্রোন হামলায় নিহত ১৭ বাংলাদেশি: এসআরবি ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় সেই যুবক আটক, দাড়িয়ে থাকা পুলিশ প্রত্যাহার সাবেক মেয়র আইভীর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার-৩ সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলী হত্যার আসামি সাব্বির গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জের যানজট নিরসনে রাজপথে এসপি, ঘুরিয়ে দিলেন উল্টো পথে আসা যানবাহন রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএমসহ সব লেনদেন দুই দিন বন্ধ থাকবে

মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ, জনমনে ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডিজিটাল ডেস্ক।।

 

সিলেটের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের জগদীশপুর মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতার মুরাল অপসারণ করায় মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় এক মাস আগে সংস্কারকাজের সময় মুরালটি অপসারণ করা হলেও কার নির্দেশে বা কার দায়িত্বে এটি সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জগদীশপুর মুক্তিযোদ্ধা গোলচত্বরে প্রায় ১০ বছর আগে সরকারি উদ্যোগে জাতীয় চার নেতা, তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের ছবি সংবলিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিনে উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতেন।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা বলছেন, মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী জাতীয় চার নেতার স্মৃতি সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। তাদের স্মৃতিবিজড়িত মুরাল অপসারণের বিষয়টি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

মাধবপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় চার নেতা মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন। আগের সরকার তাদের মুরাল সরকারি উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা চত্বর এলাকায় স্থাপন করেছিল। এখন সরকারের নির্দেশে সেটি সরানো হয়েছে বলে আমরা শুনেছি। আমরা এ ধরনের কাজকে সমর্থন করি না।

মুরাল অপসারণের বিষয়ে মাধবপুরের সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধারা ভালো বলতে পারবেন। মুরাল অপসারণের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানেন না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা জারু মিয়া বলেন, গত ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়া দিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আযম খান মুক্তিযোদ্ধা চত্বরের বেহাল দশা দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। এরপর চত্বরের সংস্কারকাজ ও স্পিডবলের বেড়া নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ ত্বরান্বিত হয়। বর্তমানে সেখানে জাতীয় চার নেতার পরিবর্তে ১১ জন সেক্টর কমান্ডারের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানীর নাম ও ছবি সংযুক্ত করে নতুন মুরাল নির্মাণের কথা শোনা যাচ্ছে।

তবে বর্তমান মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্তে ওই মুরাল অপসারণ করা হয়নি। নতুন মুরাল তৈরির ক্ষেত্রেও উপজেলা প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্ত নেই।

এদিকে, জাতীয় চার নেতার অন্যতম এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ মুরাল অপসারণের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।

Divider Icon
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...