নিজস্ব সংবাদদাতা:
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণের বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের লক্ষ্যে সোমবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণ শুনানি সভার আয়োজন করা হয়েছে।
ও-ই গণ শুনানি সভায় বক্তারা প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত কয়েকটি এলাকা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনার প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে রয়েছে ফতুল্লা ইউনিয়নের ১, ২, ৩ ও ৪নং ওয়ার্ড, খানপুরের কিছু অংশ, এনায়েতনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড ব্যতীত অন্যান্য অংশ এবং কাশিপুর ইউনিয়নের ৮ ও ৯নং ওযার্ড।
উপস্থিত বক্তারা বলেন- আংশিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করলে, প্রশাসনিক জটিলতা বাড়বে। তা-ই এনায়েতনগর ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে, পুরো ইউনিয়নকেই নিতে হবে। একইসাথে গোগনগর ইউনিয়নকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার জোড় দাবী জানানো হয়।
গণশুনানিতে ফতুল্লা থানার ৪টি ইউনিয়ন এবং গোগনগর ইউনিয়ন সহ মোট ৫টি ইউনিয়নকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব উঠে। পরবর্তীতে বক্তারা পুরো ফতুল্লা থানাকেই নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক(ডিসি) মোঃ রায়হান কবির বলেন- নারায়ণগঞ্জের নগরায়ণ দ্রুত বাড়ছে। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিত করণ এখন সময়ের দাবী। জনগণের মতামতের গুরুত্ব আমাদের কাছে অপরিসীম এবং অনেক মূল্যবান। তা-ই আপনাদের মতামত জানতে গণশুনানির ব্যবস্থা করেছে জেলা প্রশাসন। আজকের গণশুনানিতে উঠে আসা সকল মতামত ও প্রস্তাব সরকারের কাছে সুপারিশ আকারে পাঠানো হবে। জনগণের চাওয়া এবং পরিকল্পিত নগর উন্নয়নকে সমন্বয় করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উক্ত সভায় অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন- সীমানা বর্ধিত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাস্তা এবং ড্রেনেজ সহ নাগরিক সেবার মান বাড়বে।
ও-ই গণ শুনানি সভার কার্যবিবরণী স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর পর সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সীমানা বর্ধিত করণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক(ডিসি) মোঃ রায়হান কবির'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ও-ই গণ শুনানি সভায় এসময় উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব নিলুফা ইয়াসমিন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি'র সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জীবন প্রমূখ।