
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীকে না পেয়ে আধা ঘণ্টা বারান্দায় বসেছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বুধবার(৪ মার্চ) সকাল ৯টার পর ওই সরকারি দপ্তরে পরিদর্শনে যান প্রতিমন্ত্রী। তখন ভূমি অফিসের মূল প্রধান ফটকটি খোলা থাকলেও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে ছিলেন না। তাদের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ পান তিনি।
ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা জানান, সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের পাঁচ মিনিট পরে প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল ওই কার্যালয়ে উপস্থিত হন। কিন্তু তখনো কার্যালয়ের কেউই কর্মস্থলে আসেননি।
পরে প্রায় আধ ঘণ্টা অফিসের বারান্দায় রাখা একটি চেয়ারে বসে অপেক্ষা করেন তিনি। এমনকি, ভূমি সেবা নিতে আসা গ্রাহকদেরও সেখানে অপেক্ষমান দেখা যায়।
পরে খবর প্রকাশিত হয়ে জানাজানি হলে দ্রুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এ ধরনের দায়িত্বহীন আচরণের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতার মুখেও পড়তে হয়। ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল কর্মকর্তাদের দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা অসংলগ্ন উত্তরও দেন।
পরে প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, “এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। যারা দায়িত্বে অবহেলা করবেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।“জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণের জন্য কাজ করবে। এতে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।”
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অন্যান্য অফিসগুলোতেও চালানো হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ বিষয়ে জানতে সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের মোবাইলে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তবে, সিদ্ধিরগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবযানি কর বলেন, আমি ব্যক্তিগত কারণে অফিসিয়ালি অর্ধেকবেলা ছুটিতে ছিলাম। (এখানেও সেই একই ধরনের গড়মিল কথা) ফলে সরাসরি সেখানে যেতে পারিনি। তবে, আমি যতদূর জেনেছি, প্রতিমন্ত্রী গিয়েছিলেন এবং সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাননি। প্রতিমন্ত্রী স্যার অনেকক্ষণ অপেক্ষাও করেছেন। এদিকে একাধিক তথ্য সূত্রে জানা গেছে,দেবজানি কর নিজেও অফিসে দেরি করে আসেন প্রায়শই। দীর্ঘদিন একই শাখায় থাকায় তার বিরুদ্ধে বহু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।
বিষয়টি জেলা প্রশাসক(ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) অবগত হয়েছেন এবং তারাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান দেবযানি। তবে তার ব্যবস্থা কে করবেন? প্রশ্ন রয়েই গেলো.!
☞ Chief Adviser' Prabir Kumar Saha, ☞ Chief Advisor' Masuduzzaman Masud ✪ Adviser-' Mohammad Kamrul Islam, ☞Editor & publisher' Mohammad Islam.◑ Head office:-Motijheel C/A, Dhaka-1212, Corporate office:-B.B Road ,Chasara,Narayanganj-1400,✆-02-47650077,02-2244272 Cell:+88-01885-000126.web: www.samakalinkagoj.com, News-samakalinkagoj@gmail.com,✆+8801754-605090(Editor) সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক ১৮০,ফকিরাপুল পানির টাংকির গলি,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা অবস্থিত 'জননী প্রিন্টার্স' ছাপাখানা হতে মুদ্রিত,®রেজি ডি/এ নং-৬৭৭৭, All Rights Reserved ©Daily samakalin kagoj paper authority সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©দৈনিক সমকালীন কাগজ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ।
Copyright © 2026 Daily Samakalin Kagoj. All rights reserved.