অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
আসন্নবর্তী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশজুড়ে মাঠে নামছেন ৬৫৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
নিয়োগপ্রাপ্ত এই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা ‘দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২’-এর অনুচ্ছেদ ৮৯ এ-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচনী অপরাধসমূহ সরাসরি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার রাখবেন।
প্রজ্ঞাপনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেটদের আজ মঙ্গলবার পূর্বাহ্নেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় যোগদান করে তার অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
দায়িত্ব পালনকালে কোনো অপরাধ আমলে নেওয়া হলে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইসি সচিবালয়ের আইন শাখায় প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। প্রতিটি সংসদীয় আসনে এক বা একাধিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন এবং তাঁদের সহায়তার জন্য বেঞ্চ সহকারী বা স্টেনোগ্রাফার সঙ্গে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার বিচারকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ম্যাজিস্ট্রেটদের নিরাপত্তা ও চলাচলের জন্য জেলা প্রশাসকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যানবাহন যেমন জিপ, মাইক্রোবাস কিংবা স্পিডবোটের সংস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিচারকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতয়েন করতে বলা হয়েছে।
সারাদেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি স্থানে বিচারকদের সুনির্দিষ্ট অধিক্ষেত্র ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড়-১ থেকে শুরু করে বান্দরবান পর্যন্ত প্রতিটি আসনে বিচারকদের এই সরাসরি নজরদারি নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে কমিশন।
