স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।
জুলাই আন্দোলনে হত্যাকান্ডের একাধিক মামলায় অভিযুক্ত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সাংসদ একেএম সেলিম ওসমানকে খুঁজতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাত দশটার দিকে ফতুল্লার উইজডম অ্যাটায়ার্স লিমিটেড কারখানায় এ অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের একটি দল।
তবে, সেখানে অভিযান চালিয়েও সেলিম ওসমানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
তিনি বলেন, “কয়েকদিন ধরেই আলোচনা চলছিল যে, সেলিম ওসমান নারায়ণগঞ্জে আছেন এবং তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও যান। যদিও আমাদের গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এসকল তথ্য সঠিক নয়। তারপরও যেহেতু আলোচনা রয়েছে, তাই আমরা আজ রাতে হঠাৎ করেই সেখানে অভিযান চালাই। কিন্তু সেখানে সেলিম ওসমানকে পাওয়া যায়নি।
জুলাই হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত সেলিম ওসমান ‘দেশেই আছেন’ কিন্তু তিনি ‘আত্মগোপনে’ রয়েছেন উল্লেখ করে এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, “তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। তার লোকেশন নিশ্চিত করা গেলেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
প্রসঙ্গ উল্লেখ্য যে, গত বছর জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা আন্দোলনকারীদের উপর সশস্ত্র হামলা চালান। এই হামলায় নেতৃত্ব দেন ওসমান পরিবারের অন্যতম সদস্য ও সেলিম ওসমানের ছোটভাই আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান।
অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় ধারালো অস্ত্রে সুসজ্জিত ওই হামলায় অংশ নেন শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ অনুসারী আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতারা।
হামলার সময়ে ধারণ করা একাধিক ছবি ও ভিডিও ফুটেজে শামীম ওসমান, তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু, বেয়াই ফয়েজউদ্দিন লাভলু, লাভলুর ছেলে মিনহাজউদ্দিন ভিকি, শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা শাহ নিজাম, ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান রিয়াদ, আশরাফুল ইসমাইল রাফেল, সোহানুর রহমান শুভ্র, কাওসার আহমেদসহ বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়।
পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে শামীম ওসমান, তার পরিবারের সদস্যরা এবং সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে যান। অনেকে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। শামীম ওসমানকে ইতোমধ্যে ভারত, মালয়েশিয়া ও দুবাইতে দেখাও গেছে বলে জানান অনেকে।
তবে, তার ভাই সেলিম ওসমান শুরু থেকেই দেশে রয়েছেন বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র। সরকার পতনের পর তিনি আত্মগোপনে থেকেই চিঠি পাঠিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠন বিকেএমইএ থেকে পদত্যাগ করেন।
সম্প্রতি সময়ে এক এনসিপির এক নেতার ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়, সেলিম ওসমান ‘এক বিএনপি নেতার আশ্রয়ে’ নারায়ণগঞ্জে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আসা-যাওয়া করেন। কিন্তু প্রশাসন এ বিষয়ে জানার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
এই ফেসবুক পোস্টের পর সেলিম ওসমানের গ্রেপ্তারের দাবি আরও জোরালো হলেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
☞ Chief Adviser' Prabir Kumar Saha, ☞ Chief Advisor' Masuduzzaman Masud ✪ Adviser-' Mohammad Kamrul Islam, ☞Editor & publisher' Mohammad Islam.◑ Head office:-Motijheel C/A, Dhaka-1212, Corporate office:-B.B Road ,Chasara,Narayanganj-1400,✆-02-47650077,02-2244272 Cell:+88-01885-000126.web: www.samakalinkagoj.com, News-samakalinkagoj@gmail.com,✆+8801754-605090(Editor) সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক ১৮০,ফকিরাপুল পানির টাংকির গলি,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা অবস্থিত 'জননী প্রিন্টার্স' ছাপাখানা হতে মুদ্রিত,®রেজি ডি/এ নং-৬৭৭৭, All Rights Reserved ©Daily samakalin kagoj paper authority সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©দৈনিক সমকালীন কাগজ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ।
Copyright © 2026 Daily Samakalin Kagoj. All rights reserved.