শিরোনাম
ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ সদস্য আহত: এসপি টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানো ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ আজ থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ দেশের সব ব্যাংক প্রথমবারের মতো ইউএনও সম্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্টগার্ড মৌলভীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে আমার এটা প্রথম দুর্গাপূজা, সবকিছু দেখে এবং আথিতেয়তা আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা ফের গ্রেপ্তার ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ সদস্য আহত: এসপি টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানো ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ আজ থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ দেশের সব ব্যাংক প্রথমবারের মতো ইউএনও সম্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্টগার্ড মৌলভীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে আমার এটা প্রথম দুর্গাপূজা, সবকিছু দেখে এবং আথিতেয়তা আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা ফের গ্রেপ্তার

গাইবান্ধা কারাগারে আ’লীগ নেতার মৃত্যু, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড

ফেরদৌস আলম, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলা কারাগারে এক হাজতি বন্দি হিসেবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্নার (৬৮) মৃত্যু হয়েছে। তার স্বজনদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, কারাগার কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রাকৃতিক কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে এবং চিকিৎসায় কোনো অবহেলা হয়নি।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মুন্না। তাকে দ্রুত গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারাগার সূত্রে জানা যায়, তিনি ডায়াবেটিস, রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন।
আবু বক্কর সিদ্দিক মুন্না গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তার বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একটি মামলা রয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
মুন্নার ছেলে সৌমিক বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগলেও তাকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি এবং সেখানে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। তার মতে, এই নির্যাতনই তার বাবার মৃত্যুর কারণ।
সৌমিক আরও জানান, প্রথমে এক মামলায় গ্রেফতারের পর তার বাবা জামিন পেয়েছিলেন। কিন্তু জেলগেট থেকেই আরেকটি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে টার্গেট করা হয়েছে।
গাইবান্ধা কারাগারের জেলার মো. আতিকুর রহমান তাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কারাগারে মুন্নাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রেও কোনো অবহেলা করা হয়নি। তিনি বলেন, মুন্না পূর্ব থেকেই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে কারাগারে এসেছিলেন এবং সেখানেই তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
মুন্নার মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে রয়েছে। ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
Divider Icon
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...