শিরোনাম
ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ সদস্য আহত: এসপি টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানো ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ আজ থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ দেশের সব ব্যাংক প্রথমবারের মতো ইউএনও সম্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্টগার্ড মৌলভীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে আমার এটা প্রথম দুর্গাপূজা, সবকিছু দেখে এবং আথিতেয়তা আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা ফের গ্রেপ্তার ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ সদস্য আহত: এসপি টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানো ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ আজ থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ দেশের সব ব্যাংক প্রথমবারের মতো ইউএনও সম্মেলন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্টগার্ড মৌলভীবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে আমার এটা প্রথম দুর্গাপূজা, সবকিছু দেখে এবং আথিতেয়তা আমি মুগ্ধ: মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা ফের গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জে হতে হাত বদলে আলু বিক্রি হচ্ছে দেড়গুণ বেশি দামে

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
নিত্যপণ্যের পাশাপাশি অস্থিরতা আলুর বাজারেও। খুচরা বাজার পর্যন্ত গিয়ে প্রতি কেজি আলুর যৌক্তিক সর্বোচ্চ দাম হচ্ছে ৪৬ টাকা।অথচ কৃষক থেকে ক্রেতা পর্যন্ত ৫ বার হাত বদলের পর সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়।অসাধুদের তৎপরতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় লাগামহীন হয়ে যাচ্ছে আলুর বাজার।কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ ১২ থেকে ১৩ টাকা।এরপর হিমাগার ভাড়া, পরিবহনসহ সব খরচ বাদ দিয়ে খুচরা বাজারে আলুর যৌক্তিক দাম সর্বোচ্চ দাঁড়ায় ৪৬ টাকায়। অথচ কৃষক থেকে মজুতদার,ফড়িয়া,আড়তদার, পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ী হয়ে সেই আলু ক্রেতার ব্যাগে যাচ্ছে ৭০ টাকায়।পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি,আলু সংরক্ষণকারী ব্যবসায়ী ও হিমাগারের ফড়িয়া ব্যবসায়ীরাই নিয়ন্ত্রণ করে আলুর দাম।যদিও বিষয়টি স্বীকার করতে চান না কেউ।কৃষকের তথ্য সুত্রে জানা যায়,উৎপাদন খরচের সাথে লাভ যোগ করে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।অন্যদিকে,বড় ব্যবসায়ীরা টাকা দিয়ে আলু মজুত করে রাখেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।অবশ্য হিমাগার ম্যানেজাররা,আলু কেনা-বেচায় ফড়িয়া থাকার কথা অস্বীকার করেন।আড়তদারদের দাবি,বস্তা প্রতি মজুতদারেরা ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা লাভ করছেন।মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম কমানো ও সরকারের কঠোর নজরদারি বাড়ানো হলে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।একজন আলু ব্যবসায়ী জানান,যারা স্টক করে,বড় ব্যবসায়ীরা।তাদের কারসাজিতেই বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ে।সরকার যদি এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারে তাহলে দামটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।মুন্সীগঞ্জ আলু ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসেদ মোল্লা জানান,হিমাগারে আলু সংরক্ষণে খরচ আরও বেড়ে যায়।তবে ৫ ধাপে দামের বৃদ্ধি খুবই অস্বাভাবিক।দাম বাড়ানোর বিষয়টি সিন্ডিকেটের কাজ।এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান,এ বছর প্রায় ৫০ হাজার টন কম আলু মজুত হয়েছে।তবে ১ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন আলু এখনো মজুত রয়েছে।আমরা দাম নিয়ন্ত্রণে নজরদারি করছি।তবে সিন্ডিকেটের প্রভাব মোকাবেলা করতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সামির হোসেন সিয়াম বলেন,আমরা বাজার তদারকি করছি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনকে নিয়ে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।বাজারে যাতে সিন্ডিকেট কাজ না করতে পারে সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি।
Divider Icon
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...